মেনু নির্বাচন করুন

কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র

A brief reconnaissance occurred in 1906 when the Karnafuli Hydropower Station was first contemplated. A second study was carried out in 1923. In 1946, E. A. Moore recommended the proposed project at Barkal about 65 kilometers upstream of present dam site at Kaptai. In 1950, the Marz Rendal Vatten Consulting Engineers suggested a site at Chilardak, about 45 kilometers upstream of Kaptai. In 1951, the government engineers proposed Chitmoram, 11 kilometres (6.8 mi) downstream of the present site. Under the guidance of then Chief Engineer (Irrigation) Khwaja Azimuddin, the construction site was chosen at present location of the dam in 1951. Utah International Inc. was selected as construction contractor. The construction of the dam started in 1957.

 

বাংলায়

কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বাধঁ ও পাওয়ার ষ্টেশন :

 

কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পানি শক্তি দ্বারা পরিচালিত। কর্ণফুলী নদীর নির্ধারিত স্থানে বাধ দিয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ করে সঞ্চিত পানির বিরাট জলধারা সৃষ্টি এবং সঞ্চিত পানি সুড়ঙ্গ সদৃশ্য পথে ধাবিত করে জলের তোড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী যন্ত্র সক্রিয় করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। বন্দর নগরী চট্টগ্রাম হতে ৫০ কিলোমিটার দূরে রাংগামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলায় এ প্রকল্পটির অবস্থান। ১৯৫৬ সালে এ বাধের নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৬০ সালে শেষ হয়। ইন্টারন্যাশানাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানী এবং ইউতাহ ইন্টারন্যাশানাল ইনকর্পোরেট ৬৭০.৬ মিটার দীর্ঘ এবং ৪৫.৭ মিটার উচু এই বাধটি তৈরী করে।  প্রাথমিক পর্যায়ে ২টি ইউনিটের উৎপাদন ছিল ৮০ মেগাওয়াট। ১৯৮১ সালে চালু করা হয় ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ৩য় ইউনিট। ১৯৮৮ সালে ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন আরোও ২টি ইউনিট চালু হলে প্রকল্পের বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা ধারায় ২৩০ মেগাওয়াট।

কিভাবে যাওয়া যায়:

ঢাকা হতে শ্যামলী, এস আলম, ডলফিন,সৌদিয়া অথবা ঈগল বাস যোগে সরাসরি কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্র রিসিফশান গেইটে নেমে ভিতরে প্রবেশ করতে হবে। অথবা ঢাকা হতে ট্রেন যোগে আসতে চাইলে চট্টগ্রাম এসে নামতে হবে। চট্টগ্রাম বদ্দারহাট বাস টার্মিনাল হতে বাস যোগে কাপ্তাই রিসিপশান গেইট এসে নামতে হবে এবং গেইট হতে ভিতরে প্রবেশ করলে বিশাল এলাকা জুড়ে চোখে পড়বে কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র।


Share with :

Facebook Twitter